Jobanনৌকায় ভোট: প্রতিপক্ষ যে বিষয়গুলো সামনে নিয়ে আসছে

নৌকায় ভোট: প্রতিপক্ষ যে বিষয়গুলো সামনে নিয়ে আসছে

নির্বাচনের আগে সরকারের আচরণে জনমনে ইতিমধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। গত সপ্তাহেই প্রায় ৩ হাজার বিরোধী দলীয় নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  প্রায় প্রতিটি জেলায় বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের নির্বাচনী প্রচারে প্রকাশ্যে হামলা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। এই অবস্থায় এই সরকারের অধিনে নির্বাচন কতখানি সুষ্ঠু হবে তা নিয়ে যেমন প্রমান আছে অনেকের মনে সংশয় আদৌ কি নির্বাচন হবে বা জনগণ ভোট দিতে পারবেন? নির্বাচন কমিশন কৌতুকে পরিণত হয়েছে। তাদের প্রায় সব উদ্যোগই দলীয় মাস্তানীর পক্ষেই আছে এখনও পর্যন্ত।

তবুও থেকে নেই ভোট চাওয়ার আয়োজন। সরকারি দল অনেক আগে থেকেই ভোটের প্রচারে নেমে গেছে। নিয়মনীতির কোন তোয়াক্তা না করে ২ বছর আগে থেকেই ভোটের প্রচারে মাঠে আছে নৌকার সমর্থক নেতারা।

অন্যদিকে নৌকাতে ঠেকাতে যেসব বিষয়কে ঘিরে বিরোধী পক্ষ সোচ্চার হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইনে সোচ্চার প্রচার চালাচ্ছে তা এক নজরে দেখে নেয়া যাক।

 

১. বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা অফিসার হত্যা

২. শাপলা চত্বরে মুসল্লিদের গুলি করে হত্যা

৩. দশ বছরে ৩৮ হাজার খুন

৪. দশ বছরে ১৯ হাজার নারী ধর্ষণ

৫. গুম, খুন, হত্যা, ধর্ষণে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলা

৬. স্কুল কলেজের ছাত্রদের হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাড় ভেঙ্গে দেয়া

৭. লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে অসংখ্য মানুষ হত্যা করে দিনদুপুরে তাদের লাশের উপর উঠে নাচানাচি করা।

৮. গাড়িতে পেট্রোল বোমা দিয়ে শতশত মানুষ পুড়িয়ে মেরে বিরোধী দলের দোষ দেয়া।

৯. কয়লা বিদুৎ কেন্দ্রের লক্ষ লক্ষ টন কয়লা গায়েব করা।

১০. বাংলাদেশ ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকার সোনাকে তামা বানানো।

১১. নাইকো দুর্নীতি ১ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা গায়েব করা।

১২. হেলমেট লীগ’র অত্যাচার।

১৩. শেয়ার বাজারের ১৫০০ হাজার কোটি টাকা লুট করা।

১৪. হলমার্কের ৪৫ লাখ কোটি টাকা লুট করা।

১৫. ডেসটিনির ৪ হাজার ১১৯ কোটি টাকা লুট করা।

১৬. বেসিক ব্যাংকের ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ডাকাতি করা।

১৭. বিসমিল্লাহ্‌ গ্রুপের ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা লুট করা।

১৮. বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকার রিজার্ভ চুরি করা।

১৯. সোনালী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, জনতা ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করা।

২০. বিগত দশ বছরে ১৩ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা।

২১. গত দশ বছরে সবচেয়ে বেশি প্রশ্নপত্র ফাঁস করে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করা।

২২. প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম চার-পাঁচ গুণ বৃদ্ধি করে মানুষকে অনাহারে রাখা।

২৩. দেশে লক্ষ লক্ষ ভারতীয়দের চাকুরি দিয়ে দেশের সাড়ে চার কোটি যুবকদের বেকার বানিয়েছে।

২৪. নতজানু পররাষ্ট্রনীতি ।

২৫. সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি খুন তাদের নিষ্পাপ শিশু আজ ও ন্যায় বিচার পায়নি।

২৬. গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ ডিজিটাল আইন আইসিটি নীতিমালা সবই বাক-স্বাধীনতা পরিপন্থী।

২৭. দিগন্ত, পিস টিভি, চ্যানেল ওয়ান, আমার দেশ বন্ধ করে গণমাধ্যমে অবৈধ নিয়ন্ত্রণ ।

২৮. রায় পছন্দ না হলে বিচারপতিদের ক্যান্সার রোগী বানিয়ে দেশ ত্যাগে বাধ্য করা।

২৯. গায়েবি মামলা দিয়ে বিরোধী দল দমন।

৩০. বিচার বহির্ভূত হত্যা, বিরোধী দল দমন, কোটা সংস্কার, নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন কারীরাও বাঁচতে পারে নাই হামলা থেকে ।

৩১. ক্যাম্পাসগুলো বারবার রক্তাক্ত করছে তাদের ছাত্রলীগ।

৩২. পুলিশ ও বিচার বিভাগকে জনগনের বিরুদ্ধে ব্যাবহারে রেকর্ড।

এইসব পয়েন্ট ধরে চলছে বিরোধী দলের প্রচার। আর আহবান জানাচ্ছেন সচেতন নাগরিক হিসেবে স্বাধীন দেশে স্বৈরাচারী, অনির্বাচিত ও শোষককে বিদায় করতে বিজয়ের মাসে জনগণ ধানের শীষে ভোট দিয়ে গণতন্ত্রের পথকে সুগম করেন।।