অবশেষে ইজতেমার মাঠে না গিয়েই দিল্লি ফিরে যেতে হচ্ছে তাবলীগ জামাতের প্রধান মুরুব্বী মাওলানা সা’দকে। দিল্লি ফিরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি কাকরাইলেই অবস্থান করবেন বলে জানানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল তাবলীগ জামাতের বিবাদমান দুটি পক্ষের সাথে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা যথাসময়ে হবে। শান্তিপূর্ণ ভাবে হবে। যাদের নিয়ে বিতর্ক ছিল তাদের নিয়েই একটা সমঝোতা হয়েছে।
সমঝোতা বৈঠকে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সিনিয়র সহসভাপতি আল্লামা আশরাফ আলী, গুলশান আজাদ মসজিদের খতিব মাওলানা মাহমুদুল হাসান, আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ আবদুল্লাহ, বেফাকের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ, জামিয়া রাহমানিয়ার মুহতামিম মুফতি মাহফুজুল হক, লালবাগ মাদ্রাসার মুফতি ফয়জুল্লাহ ও আফতাবনগর মাদ্রসার মুহতামিম মুফতি মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।
তবে মাওলানা সাদ কখন দেশ ছাড়বেন সে ব্যাপারে কিছুই জানা যায় নি।
গতকাল বুধবার টঙ্গির বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দিতে ঢাকায় আসেন মাওলানা সা’দ। বাংলাদেশের তাবলীগ জামাতের ক্বওমী ধারার একটি বড় অংশ এর প্রতিবাদের বিমানবন্দর এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে।
তাবলীগ জামাতের প্রধান কেন্দ্র দিল্লির নিযামুদ্দিন মারকাযের আমীর মাওলানা সা’দ এর নানান `বিতর্কিত বক্তব্য’র কারণে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ তাকে বয়কটের ঘোষণা দিয়ে ফতোয়া জারি করে। এতে তাবলীগ জামাতের উর্ধ্বতন মুরুব্বীদের মধ্যে মতানৈক্য সৃষ্টি হয়।